ফেনী ও নোয়াখালীর এভারেস্ট বিজয়ী ২ নারীকে সংবর্ধনা

ওয়াসফিয়া ও নিশাত
(১৫ জুন ২০১২) ক`দিনের ব্যবধানে বাংলাদেশকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন ফেনীর ওয়াসফিয়া নাজরীন আর লক্ষ্মীপুরের নিশাত মজুমদার। দুজন নারীই বৃহত্তর নোয়াখালীর বাসিন্দা।

এদের মধ্যে লক্ষ্মীপুরের নিশাত মজুমদার দেশের প্রথম নারী হিসেবে এভারেস্ট চূড়ায় পা রেখেছেন। ফেনীর ওয়াসফিয়া নাজরীন দ্বিতীয় নারী হিসেবে এ কৃতিত্ব অর্জন করেন।

বৃহত্তর নোয়াখালীর এ দুই নারীকে বৃহস্পতিবার ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে বড় আয়োজনে সংবর্ধনা দেয় ঢাকাস্থ ফেনী সমিতি।

পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্ট চূড়ায় আরোহন করে তারা অনেকের কাছ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।

স্বাগত বক্তৃতায় এবিএম মূসা বলেন, `এ দু’জন এভারেস্ট জয়ী নারী যে বৃহত্তর নোয়াখালীর তা অনেকেই জানে না, বিশেষ করে আমিও জানতাম না। আজ জানলাম।`

রসিকতা করে প্রবীণ এ সাংবাদিক ও কলামিস্ট বলেন, ‘চাঁদের দেশেও নোয়াখালীর মানুষ গিয়েছে এমন গল্প শোনা যায়, বাকি ছিল এভারেস্ট। সেখানেও বাস্তবে দেশের পতাকা উড়িয়েছেন ফেনীর ওয়াসফিয়া ও লক্ষ্মীপুরের নিশাত।’

তিনি বলেন, ‘আমি গর্ববোধ করছি- বাংলাদেশের যে দুজন নারী এভারেস্ট চূড়ায় উঠেছেন তারা বৃহত্তর নোয়াখালীর।’

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় যোগাযোগ ও রেলপথ মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, `জীবনের সব চ্যালেঞ্জকে যে অতিক্রম করা যায় তা বাংলাদেশের এ দুই এভারেস্ট জয়ী নারী প্রমাণ করেছেন। অসম্ভব বলে কিছু নেই।’

তিনি বলেন, `আমি সমকালের। আমার মন্ত্রীত্ত্ব গেলে আমি থাকবো না। কিন্তু এভারেস্ট জয়ী এ দু’জন নারী চির অম্লান হয়ে থাকবেন।`

মন্ত্রী বলেন, `নোয়াখালীর নাম অনেকে যে কটাক্ষ করে উচ্চারণ করে তার জবাব দিয়েছেন নিশাত ও ওয়াসফিয়া। সাংবাদিকতা, শিক্ষাসহ সব সেক্টরে আমাদের তরুণরা ভালো করছে। নোয়াখালীর তরুণদের বিজয়ের কেতন দেখে আমি সত্যিই গর্বিত। অভিভূত।

দু’জন এভারেস্ট বিজয়ীকে ফেনী সমিতির পক্ষ থেকে ফুল, ক্রেস্ট, ও মানপত্র দেওয়া হয়।
দু’জন এভারেস্ট বিজয়ী নারীকে ল্যাপটপ প্রদান করেন যোগাযোগ ও রেলপথ মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

ফেনী সমিতি ঢাকার সভাপতি শিল্পপতি মোস্তাফিজুর রহমান দুলালের সভাপতিত্ত্বে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে দু’জন এভারেস্ট জয়ী নারী বিজয়ের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন।