(২০ মে ২০১২)আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ফেনীর পরশুরাম উপজেলায় ছাত্রলীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষে দুই পুলিশসহ ১২ জন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টায় উপজেলার চিথলিয়া ইউনিয়নের পরশুরাম ধনিকুন্ডা রাস্তার পাশে এ ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে পরশুরাম থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) সফিকুল ইসলাম, কনস্টেবল সামছুল হক, ব্যবসায়ী নবী (৪০), এলাকাবাসী নুরনবী (৪০), চিথলিয়া ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ সদস্য মমতাজ মিয়া (৫৫) আবদুর রশিদ (৪২), কমল( ২৬), মো. ইসমাইল (২৮), নাজমুল (৩০), খোকন (৩৫), ইয়াকুব নবীকে (৩০) পরশুরাম স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অন্যদিকে, গ্রেফতার এড়াতে ছাত্রলীগ নেতাদের বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা যায়।
সংঘর্ষের সময় ৫টি দোকান ভাঙচুর করে ২ লাখ টাকার মালামাল লুট হয়েছে বলে দাবি করেছেন দোকানীরা।
পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ইয়াকুব নবী নামে এক ছাত্রলীগ নেতাকে আটক করেছে। তিনি পুলিশ পাহারায় পরশুরাম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, পরশুরাম উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কামাল আহাম্মদ মজুমদার সমর্থিত ইয়াকুব নবী ও পরশুরামের চিথলিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহবায়ক মো. ইসমাইল সমর্থিতদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারের জের ধরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় পরশুরামে বর্তমানে থমথমে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
শনিবার সকালে ফেনীর পুলিশ সুপার পরিতোষ ঘোষ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু আবদুল্লাহ আল মামুন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করছেন।
অপরদিকে, দুপুরে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দোকান ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় দোকান মালিকদের পক্ষ থেকে পরশুরাম থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছিল।
পরশুরাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন বাংলানিউজকে জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে বলে জানান ওসি।
