আবদুল কুদ্দুস খানকে বদলি : মো. হুমায়ুন কবির খন্দকার ফেনীর নতুন জেলা প্রশাসক

(১৬ মে ২০১২) ফেনী জেলা প্রশাসক মো. আবদুল কুদ্দুস খানকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে অতিরিক্ত যুগ্নসচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর সামাজিক ও রাজনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টার একান্ত সচিব মো. হুমায়ুন কবির খন্দকারকে ফেনী জেলা প্রশাসক হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয় সূত্রে জানা যায়, ফেনী জেলা প্রশাসক মো. আবদুল কুদ্দুস খানকে অতিরিক্ত যুগ্নসচিব পর্যায়ে মানব পাচার রোধ, অভিবাসন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ ভিসা ট্রেডিং এবং রিক্রুটিং এজেন্সি বন্ধের লক্ষে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে। তার পরিবর্তে উপসচিব পর্যায়ের প্রধানমন্ত্রীর সামাজিক ও রাজনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টার একান্ত সচিব মো. হুমায়ুন কবির খন্দকারকে ফেনী জেলা প্রশাসক হিসেবে বদলি করা হয়েছে। গতকাল সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পৃথক আদেশে তিন যুগ্নসচিবসহ ১১ পদে পৃথক আদেশে এ রদবদল করা হয়।
উল্লেখ্য, স¤প্রতি (৩ মে) ফেনী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন আক্তার, ফেনী সদর সহকারি কমিশনার (ভূমি) নজরুল ইসলাম ও রাজস্ব বিভাগের কর্মচারীবৃন্দ একটি বুলডোজার নিয়ে ফেনী শহরের ট্রাংক রোডস্থ মডেল থানার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে গেলে সাদা পোশাকে পুলিশ ও জনতা কর্তব্যরত ম্যাজিস্ট্রেটসহ তিনজন কর্মকর্তা শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হয়। এ ঘটনায় প্রশাসন ক্যাডেরর কর্মকর্তাদের অভিযোগ, ঘটনা শোনার পরও ফেনী জেলা প্রশাসক মো. আবদুল কুদ্দুস খান কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। তার ভূমিকা নিয়ে হতবাক একই ক্যাডার কর্মকর্তারা। এ ঘটনায় পৃথক তদন্ত করা হচ্ছে বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়। এ ঘটনায় সপ্তাহ খানেক আগে ফেনী জেলা প্রশাসক বদলির যে গুজবটি রটেছিল তা সত্য প্রমাণিত হয়েছে। মো. আবদুল কুদ্দুস খান ২০০৯ সালের ২৩ মার্চ তিনি ফেনী জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগদান করেন। বিগত ইউপি নির্বাচনের সময় নির্বাচনে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে নির্বাচন কমিশন তাকে প্রত্যাহারের আদেশ দিয়েছিল।