(৩১ জুলাই ২০১১) আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ফেনীর মানুষ সন্ত্রাস চায় না। শান্তি চায়। অতীত থেকে শিক্ষা নিয় আমাদের ভুল আমাদেরকে সংশোধন করতে হবে। অতীতের ভুলের কারণে আমরা সব কয়টি সিট হারিয়েছি। জনগণের সাথে আচরণ ভালো করতে হবে। আচরণ ভালো না হলে উন্নয়ন ম্লান হয়ে যায়। তিনি বলেন, অন্ধকার ফেনীকে আসন শূন্য করেছে সেই অন্ধকার দিয়ে অন্ধকার দূর করা যাবে না। আলো দিয়ে অন্ধকার দূর করতে হবে। তিনি গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় ফেনী জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে জেলা আওয়ামীলীগের কর্মী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, ফেনী এখনও আতংকের জনপদ। এখনও অতীতের আতংক এখনো মানুষকে তাড়া করছে। মানুষের মনের ভয় দূর করে আস্থা অর্জন করতে হবে। কেউ জমিদারী দেখাবেন না। জনগণ তা পছন্দ করে না। তিনি বলেন, দল সরকারে এলে কিছু ফরমালিন আর হাইব্রীড নেতার আবির্ভাব হয়। কেউ কর্মী থাকতে চায় না। তোরণ, পেস্টুন, ফুল ও উপহার দিয়ে আমার মত নেতাকে খুশি করা যায়। কিন্তু এতে জনগণ খুশি হয় না। জনগণের খুশির জন্য কাজ করতে হবে। ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, বিবেদ অনৈক্য আর অবিশ্বাসের দেয়াল অনেক উঁচু হয়ে গেছে। তবুও জনগণ চায় সমঝোতার সেতু। আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে সেই সমঝোতার ডাক দিতে চাই। আমাদের ভুল হলে আলোচনার মাধ্যমে তা সংশোধন করবো। প্রধান বিরোধী দল বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আমরা যদি আপনাদের যৌক্তিক দাবী না মানি গোটা বিশ্ব তা জানবে। আমরা কাউকে বাদ দিয়ে নির্বাচন করতে চাই না। তিনি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ও হবিগঞ্জে উপ-নির্বাচন এবং সদ্য অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনের চিত্র তুলে ধরে বলেন, আমরা মাগুরার মত নির্বাচন চাই না। শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে জনগণ যেখানে বিএনপিকে রায় দিয়েছে আমরা তাদেরও অভিনন্দন জানিয়েছি। ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, বিএনপি মধ্যবর্তী নির্বাচনের নামে মধ্যবর্তী রসিকতা করেছেন। বার বার তারিখ ঘোষণা করলেও আন্দোলনের সাড়া পাচ্ছি না। তিনি আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমরা অতীত থেকে শিক্ষা নিতে হবে। আওয়ামীলীগ সরকারে এলে দুর্বল হয়। আর বিরোধী দলে এলে সবল থাকে। অন্যদিকে বিএনপি বিরোধী দলে এলে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আজিজ আহম্মদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান বিকম এর পরিচালনায় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আহম্মদ হোসেন, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক বেগম ফরিদুন্নাহার লাইলী এমপি, সাংবাদিক ইকবাল সোবহান চৌধুরী। বক্তব্য রাখেন ফেনী পৌর মেয়র নিজাম উদ্দিন হাজারী, যুবলীগ কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম শাহীন, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি কোব্বাদ আহম্মদ, এডভোকেট আক্রামুজ্জামান ও এডভোকেট হাফেজ আহম্মদ, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভানেত্রী জাহানারা বেগম সুরমা, ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান একরামুল হক একরাম, পরশুরাম উপজেলা চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন মজুমদার, দাগনভূঞা উপজেলা চেয়ারম্যান দিদারুল কবির রতন, সোনাগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান জেডএম কামরুল আনাম, সদর উপজেলা সভাপতি করিম উল্যা বিকম, পৌর সভাপতি আইনুল কবির শামীম, দাগনভূঞা উপজেলা সভাপতি কামাল উদ্দিন, ছাগলনাইয়া উপজেলা সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন বুলবুল, ব্যবসায়ী আকরাম হোসেন হুমায়ুন, জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক আজহারুল হক আরজু, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা জহির উদ্দিন লিপ্টন, সুশেন চন্দ্র শীল, জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি জহিরুল ইসলাম জুয়েল প্রমুখ। ফেনী পৌর সভার মেয়র নিজাম উদ্দিন হাজারী উপস্থিত অতিথিদেরকে উপহার প্রদান করেন। সভায় বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর সমাগম ঘটে। দীর্ঘ প্রায় আট বছর পর কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত কর্মীসভাকে ঘিরে পুরো জেলায় নেতাকর্মীদের মাঝে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। মহিপাল থেকে সভাস্থল পর্যন্ত বেশ কয়েকটি তোরণ নির্মাণ করা হয়।ফেনীতে আ’লীগের কর্মীসভায় ওবায়দুল কাদের : অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে আতংকমুক্ত ফেনী গড়তে হবে
(৩১ জুলাই ২০১১) আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ফেনীর মানুষ সন্ত্রাস চায় না। শান্তি চায়। অতীত থেকে শিক্ষা নিয় আমাদের ভুল আমাদেরকে সংশোধন করতে হবে। অতীতের ভুলের কারণে আমরা সব কয়টি সিট হারিয়েছি। জনগণের সাথে আচরণ ভালো করতে হবে। আচরণ ভালো না হলে উন্নয়ন ম্লান হয়ে যায়। তিনি বলেন, অন্ধকার ফেনীকে আসন শূন্য করেছে সেই অন্ধকার দিয়ে অন্ধকার দূর করা যাবে না। আলো দিয়ে অন্ধকার দূর করতে হবে। তিনি গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় ফেনী জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে জেলা আওয়ামীলীগের কর্মী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, ফেনী এখনও আতংকের জনপদ। এখনও অতীতের আতংক এখনো মানুষকে তাড়া করছে। মানুষের মনের ভয় দূর করে আস্থা অর্জন করতে হবে। কেউ জমিদারী দেখাবেন না। জনগণ তা পছন্দ করে না। তিনি বলেন, দল সরকারে এলে কিছু ফরমালিন আর হাইব্রীড নেতার আবির্ভাব হয়। কেউ কর্মী থাকতে চায় না। তোরণ, পেস্টুন, ফুল ও উপহার দিয়ে আমার মত নেতাকে খুশি করা যায়। কিন্তু এতে জনগণ খুশি হয় না। জনগণের খুশির জন্য কাজ করতে হবে। ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, বিবেদ অনৈক্য আর অবিশ্বাসের দেয়াল অনেক উঁচু হয়ে গেছে। তবুও জনগণ চায় সমঝোতার সেতু। আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে সেই সমঝোতার ডাক দিতে চাই। আমাদের ভুল হলে আলোচনার মাধ্যমে তা সংশোধন করবো। প্রধান বিরোধী দল বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আমরা যদি আপনাদের যৌক্তিক দাবী না মানি গোটা বিশ্ব তা জানবে। আমরা কাউকে বাদ দিয়ে নির্বাচন করতে চাই না। তিনি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ও হবিগঞ্জে উপ-নির্বাচন এবং সদ্য অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনের চিত্র তুলে ধরে বলেন, আমরা মাগুরার মত নির্বাচন চাই না। শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে জনগণ যেখানে বিএনপিকে রায় দিয়েছে আমরা তাদেরও অভিনন্দন জানিয়েছি। ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, বিএনপি মধ্যবর্তী নির্বাচনের নামে মধ্যবর্তী রসিকতা করেছেন। বার বার তারিখ ঘোষণা করলেও আন্দোলনের সাড়া পাচ্ছি না। তিনি আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমরা অতীত থেকে শিক্ষা নিতে হবে। আওয়ামীলীগ সরকারে এলে দুর্বল হয়। আর বিরোধী দলে এলে সবল থাকে। অন্যদিকে বিএনপি বিরোধী দলে এলে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আজিজ আহম্মদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান বিকম এর পরিচালনায় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আহম্মদ হোসেন, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক বেগম ফরিদুন্নাহার লাইলী এমপি, সাংবাদিক ইকবাল সোবহান চৌধুরী। বক্তব্য রাখেন ফেনী পৌর মেয়র নিজাম উদ্দিন হাজারী, যুবলীগ কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম শাহীন, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি কোব্বাদ আহম্মদ, এডভোকেট আক্রামুজ্জামান ও এডভোকেট হাফেজ আহম্মদ, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভানেত্রী জাহানারা বেগম সুরমা, ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান একরামুল হক একরাম, পরশুরাম উপজেলা চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন মজুমদার, দাগনভূঞা উপজেলা চেয়ারম্যান দিদারুল কবির রতন, সোনাগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান জেডএম কামরুল আনাম, সদর উপজেলা সভাপতি করিম উল্যা বিকম, পৌর সভাপতি আইনুল কবির শামীম, দাগনভূঞা উপজেলা সভাপতি কামাল উদ্দিন, ছাগলনাইয়া উপজেলা সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন বুলবুল, ব্যবসায়ী আকরাম হোসেন হুমায়ুন, জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক আজহারুল হক আরজু, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা জহির উদ্দিন লিপ্টন, সুশেন চন্দ্র শীল, জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি জহিরুল ইসলাম জুয়েল প্রমুখ। ফেনী পৌর সভার মেয়র নিজাম উদ্দিন হাজারী উপস্থিত অতিথিদেরকে উপহার প্রদান করেন। সভায় বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর সমাগম ঘটে। দীর্ঘ প্রায় আট বছর পর কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত কর্মীসভাকে ঘিরে পুরো জেলায় নেতাকর্মীদের মাঝে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। মহিপাল থেকে সভাস্থল পর্যন্ত বেশ কয়েকটি তোরণ নির্মাণ করা হয়।
Labels:
রাজনীতি
