(২০ জুলাই ২০১১) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ফেনী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাষ্ট্রির সভাপতি জামাল উদ্দিনের ডাকা সভা পণ্ড হয়ে গেছে।
মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে শহরের ট্যাংক রোডের চেম্বার কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
বিভিন্ন
সূত্রে জানা গেছে, ফেনী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাষ্ট্রির
দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গত দু’সপ্তাহ ধরে বিরোধ চলে আসছিল।
২
জুলাই চেম্বারের ২৪ সদস্যের মধ্যে ১৫ জনের মতামতের ভিত্তিতে গঠনতন্ত্র
অনুযায়ী আগামী ১ অক্টোবর নির্বাচনের লক্ষে সম্প্রতি নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা
করে নির্বাচন কমিশন।
চেম্বার সভাপতি জামাল উদ্দিন তাকে না জানিয়ে
নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করায় ১৪ জুলাই নির্বাচনী কার্যাক্রম স্থগিত করার
জন্য নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেন।
এ নিয়ে চেম্বারের কর্মকর্তাদের
দু’পক্ষের মধ্যে বিরোধ শুরু হয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায় চেম্বার পরিচালনা
কমিটির সভা ডাকেন সভাপতি জামাল উদ্দিন। সভার শেষ পর্যায়ে রাত ১০টার দিকে
চেম্বারের সিনিয়র সহ-সভাপতি গোলাম মাওলা ও পরিচালক সাইফুদ্দীনের সঙ্গে
সভাপতি জামাল উদ্দিনের বাকবিতণ্ডা ও হৈচৈ শুরু হয়। একসময় এক অপরের দিকে
তেড়ে গেলে সভাটি প- হয়ে যায়।
চেম্বারের সিনিয়র সহ-সভাপতি গোলাম
মাওলা বাংলানিউজকে বলেন, ‘জামাল উদ্দিন বিগত সময়ে গঠনতন্ত্র পরিপন্থি জাল ও
ভুয়া ভোটার তৈরি করেন। তিনি চেম্বারের অধিকাংশ পরিচালকের মতামতকে উপেক্ষা
করে ভুয়া ভোটারদের রেখে নির্বাচন করার দাবি জানালে সভা পণ্ড হয়ে যায়।’
ফেনী মডেল থানার পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।
চেম্বার
পরিচালক সাইফুদ্দীন বলেন, ‘জামাল উদ্দিনের বড়ভাই আলাউদ্দিন ২ মেয়াদে ২০০৫
থেকে ২০০৯ পর্যন্ত চেম্বারের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। ২০০৯ সালে ভুয়া
ভোটারের মাধ্যমে তার ভাই জামাল উদ্দিনকে চেম্বারের সভাপতি নির্বাচিত করেন।
এবারও আলাউদ্দিন চেম্বারকে পৈত্রিক সম্পত্তি মনে করে একই পক্রিয়ায় সভাপতি
হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন।’
অপরদিকে, চেম্বার সভাপতি জামাল উদ্দিন বলেন,
‘আমি বিদেশ থাকা অবস্থায় চেম্বারের সিনিয়র সহ-সভাপতি গোলাম মাওলা পরিচালনা
কমিটির সভা ডেকে তড়িঘড়ি করে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করেন।’
তিনি
বলেন, ‘নির্বাচন স্থগিত করার জন্য মঙ্গলবার রাতে পরিচালনা কমিটির সভার শেষ
পর্যায়ে চেম্বার পরিচালক সাইফুদ্দীন ও আইনুল কবির (শামীম) জোর করে আমার কাছ
থেকে চেম্বারের ফাইলপত্র ছিনিয়ে নিয়ে যায়।’
পরিচালক সাইফুদ্দীন ও আইনুল কবির (শামীম) তা অস্বীকার করেছেন।
