(১৯ জুলাই ২০১১) ছোট ফেনী নদীর অব্যাহত ভাঙনে বিলীন হয়ে
যাচ্ছে দাগনভূঞার জনবহুল গ্রাম জগতপুর। ইতিমধ্যে কয়েকটি বাড়ি নদীগর্ভে
বিলীন হয়ে গেছে। অনতিবিলম্বে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়া না হলে আরো
অর্ধশতাধিক বাড়ি বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয় ও পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা
যায়, কাজিরহাট রেগুলেটর না থাকায় সমুদ্রের পানি অবাধে প্রবেশের ফলে নদীর
বাঁকে দাগনভূঞার জগতপুরের প্রায় ২ কিলোমিটার এলাকা ভাঙন কবলিত হয়। বর্ষা
আসার সাথে সাথে সমুদ্রের জোয়ারের পানি উঠে আসে জনপদে। ভাঙনের ফলে দাগনভূঞার
সদর ইউনিয়নের জগতপুর গ্রামের নদী সংলগ্ন অংশ এবং ফাজিলের ঘাট তালতলী
এলজিইডি’র পাকা সড়ক ইতিমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। জগতপুর গ্রামের ফকির
আহমদের বাড়ি ও সিরাজুল ইসলামের বাড়ি, আবুল খায়েরের পানের বরজ, আব্দুল
মালেকের মাছের খামার নদীর ভাঙনে বিলীন হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্থ আবদুল মালেক (৮০) জানান, নদীর গতিপথ পরিবর্তনের ফলে ও কাজিরহাট
রেগুলেটর না থাকায় অবাধ জোয়ারে জগতপুর গ্রামে ভাঙন শুরু হয়। এদিকে আমিন
মিয়ার বাড়ি, আলী আহমদ, ইদ্রিস মিয়া, মজিদ মিয়া, কামাল, কালা মিয়া, আহছান
উল্লা, আবু, আ. আজিজ, রেজাউল হক, জালু আমিন, রহিম মিয়া, মোস্তাফিজ, জসিম,
জেলে পাড়ার ৩০ পরিবার, মিয়াজন মাঝি বাড়ির ২০ পরিবার, তালতলী ঘাটের ৩টি
দোকান ছাড়াও সোনাগাজীর চর মজলিশপুর ইউনিয়নের দাস মোহন পাটোয়ারী বাড়ি যেকোন
মুহূর্তে নদীগর্ভে বিলিন হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ বাড়িগুলোর অংশবিশেষ
নদীতে তলিয়ে গেছে। ভাঙন রোধে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে অল্প সময়ের
মধ্যেই ভিটেমাটি হারা হয়ে যাবেন তারা।
এলাকাবাসী জানায়, বিগত ৪ বছর ধরে নদী ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকবার পানি উন্নয়ন বোর্ড ও এলজিইডি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বাঁকা নদী সোজা করণসহ বিভিন্ন প্রকল্পের প্রস্তাব করেন। তবে এসব প্রকল্প আজও আলোর মুখ দেখেনি।
দাগনভূঞা উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা শাহীন আরা বেগম জানান, সালাম নগরে যাওয়ার একটি বিকল্প রাস্তা তৈরী করা হয়েছে। ওই পথ দিয়ে সালাম নগর স্মৃতি গ্রন্থাগার ও জাদুঘরে গাড়ি নিয়ে প্রবেশ করা যায়। কোম্পানীগঞ্জের মুসাপুর রেগুলেটরটি দ্রুত চালু করা হলে এ সমস্যার সমাধান হবে বলে তিনি জানান।
এলাকাবাসী জানায়, বিগত ৪ বছর ধরে নদী ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকবার পানি উন্নয়ন বোর্ড ও এলজিইডি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বাঁকা নদী সোজা করণসহ বিভিন্ন প্রকল্পের প্রস্তাব করেন। তবে এসব প্রকল্প আজও আলোর মুখ দেখেনি।
দাগনভূঞা উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা শাহীন আরা বেগম জানান, সালাম নগরে যাওয়ার একটি বিকল্প রাস্তা তৈরী করা হয়েছে। ওই পথ দিয়ে সালাম নগর স্মৃতি গ্রন্থাগার ও জাদুঘরে গাড়ি নিয়ে প্রবেশ করা যায়। কোম্পানীগঞ্জের মুসাপুর রেগুলেটরটি দ্রুত চালু করা হলে এ সমস্যার সমাধান হবে বলে তিনি জানান।
