ফেনীতে প্রতারণার মাধ্যমে মোবাইল সিম রেজিষ্ট্রেশন

ফেনীতে সরকারী সিদ্ধান্ত অমান্য করে প্রতারণার মাধ্যমেই চলছে সিম রেজিষ্ট্রেশন। ভূয়া নাম ঠিকানা ও ছবি ব্যবহার করে চলছে মোবাইল ফোন কেনাবেচা। এতে আইনশৃঙ্খলা পরিপন্থি নানাকাজে তথ্য আদানপ্রদান এমনকি হুমকি-ধমকি দিতে মোবাইল ফোন ব্যবহার হলেও অপরাধীরা থেকে যাচ্ছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। পুলিশ, ভুক্তভোগী ও বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, মোবাইল ফোনের মাধ্যমে হুমকি-ধমকি, নারীদের উত্তক্ত করা সহ বিভিন্ন তথ্য আদান-প্রদান চলছে অহরহ। এ ব্যাপারে জেলার বিভিন্ন থানায় সাধারণ ডাইরীর স্তুপ পড়ে থাকলেও অপরাধীদের গ্রেফতারতো দুরের কথা শনাক্তও করা যাচ্ছে না। নাম প্রকাশ না করা শর্তে এক মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী জানান, রাতে কে বা কারা তাকে নিয়মিত মোবাইল ফোনে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছে। থানায় মোবাইল নাম্বার দিয়ে সাধারণ ডায়েরী করেও কোন ফল হয়নি। বরং নিজের সিম বদল করে নতুন সংযোগ নিতে হয়েছে। শহরের এসএসকে সড়কে বসবাসকারী এক ব্যবসায়ী জানান, গত কিছুদিন ধরে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি রাতের একই সময়ে মোবাইল ফোনে চাঁদা দাবী করে আসছে। এ ব্যাপারে ফেনী মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরী করলেও এর কোন সুরাহা গত দু’মাসেও হয়নি। মোবাইল ফোন অনেকের জন্য বিরক্তির কারণ হয়ে যাওয়ায় বিশেষ করে রাতের বেলায় মোবাইল ফোন বন্ধ রাখতে বাধ্য হন। একজন পুলিশ কর্মকর্তা জানান, অভিযোগ পেয়ে পুলিশ তদন্তে নেমেও অধিকাংশ সময় ব্যার্থ হন। ভূয়া নাম ঠিকানা ও ছবি দিয়ে সীম রেজিষ্ট্রেশন করায় প্রকৃত অপরাধীকে খুজে পাওয়া দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, সরকারী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৮ বছরের কম বয়সীদের নিকট সিম বিক্রি করতে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এছাড়া সিম রেজিষ্ট্রেশনের সাথে ক্রেতার জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি ও একজন শনাক্তকারীর পরিচয়পত্রের নম্বর জমা দিতে হবে। কিন্তু যথারীতি পরিচয়পত্রের ফটোকপি ও নাম্বার ব্যবহার করা হলেও এদের কারোই নাম ঠিকানা ও ছবির কোন মিল নেই। সম্প্রতি সিম নেয়া আবদুর রহিম আকাশ নামে এক ব্যক্তি জানান, কাগজপত্র ছাড়াই তিনি সিম কিনেছেন। বিক্রেতা তাকে বলেছেন, সিমটি পূর্বেই রেজিষ্ট্রেশন করা আছে। সুতরাং নতুন করে রেজিষ্ট্রেশনের প্রয়োজন নেই। এ ব্যাপারে খোঁজ নিতে গিয়ে আরো জানা গেছে, যারা সরকারী নিয়ম মেনে জাতীয় পরিচয়পত্র জমা দিয়ে সিম রেজিষ্ট্রেশন করছেন তাদের পরিচয়পত্রের আরো ফটোকপি করে ভূয়া রেজিষ্ট্রেশন করে সিম বিক্রি হয় অহরহ। এতে করে কোন ব্যক্তি অপরাধ না করেও অন্যের অপরাধের জন্য হয়রানী হওয়ার আশংকা রয়েছে। অন্যদিকে অপরাধী থেকে যাবে ধরাছোঁয়ার বাইরে। এ প্রতারণার জন্য মোবাইল কোম্পানীর স্থানীয় এজেন্টদের দায়ী করেন অনেকেই। এ ব্যাপারে ফেনীস্থ রবি’র শাখা প্রধান নুর আলম ফেনীর সময় কে জানান, জাতীয় পরিচয়পত্র ও ছবি ছাড়া আমরা কোন সিম রেজিষ্ট্রেশন করিনা। এজেন্টরা নিজেদের দায়িত্বেই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে সংশ্লিষ্ট অফিসে জমা দিয়ে থাকেন। এয়ারটেল ফেনীর রিলেশনশীপ অফিসের ম্যানেজার মইনুল আবেদীনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিি