(১৩ জুন ২০১২) ফেনীতে প্রতারণার মাধ্যমে গোপনে চিকিৎসা চালাতে গিয়ে গণপিটুনীর কবলে পড়ে কথিত জীনের বাদশা ভূয়া পীর রকিক। এসময় সমাজপতিদের কাছে ৫০ হাজার টাকা খতিপুরণ ও মুচলেকা দিয়ে পালিয়েছেন।এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, শহরের পশ্চিম উকিল পাড়ায় হাজারী বাড়ীর জনৈক আবদুর রহমান (৬৫) ও তার স্ত্রী সাফিয়া খাতুন(৫০) এর শারীরিক ও মানসিক সমস্যা দেখা দিলে ডাক্তারী চিকিৎসা নেয়। এক পর্যায় ফেনী সদর উপজেলার বালুয়া চৌমুহনীর মাছিমপুর গ্রামের হোসেন আহম্মদের ছেলে মো. রফিক নিজেকে জীনের বাদশা দাবী করে ওই রোগীর গায়ে জীন ভূতের আছর রয়েছে বলে গোপনে অমানসিক চিকিৎসা পদ্ধতিতে অপচিকিৎসা চালাতে থাকে। বৃদ্ধ সাফিয়াকে দীর্ঘ ৪০ দিন কিছু না খেয়ে সাদা কাপড় পরিধান করে থাকার নির্দেশ দেয়। শুধু পানি খেয়ে এভাবে ২৫ দিন অতিবাহিত হলে সাফিয়া খাতুন অসুস্থ হয়ে পড়ে। গতকাল মঙ্গলবার কথিত জীনের বাদশা কৌশলে নগদ ৫০ হাজার ও ২ ভরি স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে পালনোর সময় এলাকাবাসীরা তাকে আটক করে গণপিটুনি দেয়।
সন্ধ্যায় ভুক্তভোগীর বাড়িতে তার নিকট আত্মীয় আবুল খায়ের হাজারী, এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তি অভিযুক্ত রফিকের শশুর ও ভাইয়ের মুচলেকা নিয়ে নগদ ৩০ হাজার বাকীতে ২০ হাজার টাকা আদায় করে ছেড়ে দিলে রফিক পালিয়ে যায়। ভূয়া পীর রফিক মেবাইলে এ প্রতিবেদককে জানান, তেল ও পানি দিয়ে চিকিৎসার চেষ্টা চালিয়েছি এ কথা সত্য । তবে টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার হাতিয়ে নেয়ার বিষয়টি সত্য নয়। ফেনী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাঈনুল আবসার জানান, তিনি এ ঘটনার সম্বন্ধে কিছুই অবগত নয়। কেউ থানায় অভিযোগ করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
