ফুলগাজীতে বোমা তৈরির সময় বিষ্ফোরণে এক যুবক নিহত

(৭ জুন ২০১১)ফুলগাজী উপজেলার আনন্দপুর ইউপির জামমুড়া গ্রামে বোমা বানাতে গিয়ে বিসেফারনে গতকাল সোমবার ভোররাতে এক জন নিহত ও এক জন আহত হয়েছে। ফুলগাজী উপজেলার ৬ ইউপিতে ভোট গ্রহণের পূর্বদিন এ বিস্ফোরনের ঘটনায় এলাকায় জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ জানায়, জামমুড়া গ্রামের মজুমদার বাড়ীতে বোমা তৈরীর সময় বিস্ফোরনে অন্তত ৫ জন গুরুতর আহত হয়। পরে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় ২ জনকে ভোরে ফেনী শহরের এসএসকে সড়কের উপশম হাসপাতালের সামনে রেখে সঙ্গীরা পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে ফেনী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে ফেনী সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে। কর্তব্যরত ডাক্তার এদের একজনকে মৃত ঘোষণা করে। তার নাম বাদশা (৩৫) বলে জানা গেছে। সে ফেনী শহরের একাডেমী এলাকায় বাসা ভাড়া করে বসবাস করত। তার বাড়ী সদর থানার ধর্মপুর ইউনিয়নের শিবপুরে। তার বিরুদ্ধে ফেনী থানায় ২টি মামলা রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। অন্যদিকে আহত আবু তাহের এর বাড়ী চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি থানার হেঁয়াকো গ্রামে বলে জানা গেছে। জ্ঞান ফেরার পর সে সদর হাসপাতালে পুলিশকে জানায়, সোমবার মধ্যরাতে তার ভায়েরা ভাই বাদশা আরও ৪ জনসহ একটি কালো মাইক্রো নিয়ে জামমুড়া গ্রামে যায়। সেখানে বোমা বানানোর এক পর্যায়ে অসতর্কতাবশত বিষ্ফোরিত হলে সবাই গুরুতর হয়ে কে কোথায় গেছে তার জানা নেই। নিহত বাদশার মৃতদেহ ময়না তদন্ত শেষে গতকাল বিকেলে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। অন্যদিকে আহতদের মধ্যে আবু তাহের ফেনী সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ওই ঘটনায় নিহত বাদশার স্ত্রী মরিয়ম আক্তার মুন্নী (২১) বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে। মুন্নী জানান, বাদশা পেশায় রং মিস্ত্রী ছিল। রবিবার রাত ১১টার দিকে বিভু নামে তার এক সহকর্মী মোবাইল ফোনে তাকে বাসা থেকে ডেকে নেয়। ফেনীর পুলিশ সুপার পরিতোষ ঘোষ ফেনীর সময়-কে জানান, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আবু তাহেরের দেয়া তথ্যানুযায়ী পুলিশ ঘটনাস্থল সনাক্ত করেছে। ঘটনা তদন্তে গোয়েন্দা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।