ফেনীতে অনিয়মের দায়ে পল্লী বিদ্যুতের ঠিকাদারসহ চারজনকে বহিষ্কার

মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে অবৈধভাবে খুটি ও বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ফেনী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ইলেক্ট্রিশিয়ান, ঠিকাদারের লাইনম্যান ও সুপারভাইজারসহ ৩ জনকে স্থায়ীভাবে ও ১জন ঠিকাদারকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। অপরদিকে ছাগলনাইয়া পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা কর্মচারী ও অসাধু গ্রাহকদের যোগসাজসে বিদ্যুৎ চুরির মহোৎসব চললেও কর্তৃপক্ষ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পলীবিদ্যুৎ সমিতি। জানাযায়, ফেনী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ইলেক্ট্রিশিয়ান ছাগলনাইয়ার উত্তর পানুয়া গ্রামের আবদুল হকের পুত্র ফরিদ, ঠিকাদার সাত্তার ও তার প্রতিষ্ঠানের ১জন লাইনম্যান ও ১জন সুপারভাইজারের যোগসাজসে পূর্ব ছাগলনাইয়ার ভদ্র কোনার দুবাই প্রবাসী আব্দুল মোমিন দুলালের স্ত্রী সাহেনা আক্তারের কাছ থেকে গত ১২ আগষ্ট খুটি ও বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়ার কথা বলে সাড়ে ৩৬ হাজার টাকা নেয়। অফিসের কোন প্রকার আবেদন বা অনুমোদন ছাড়াই উল্লেখিত ব্যক্তিগণ একটি খুঁটি বসিয়ে সাহেনা আক্তারের ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়। ঘটনাটি জানাজানি হলে ফেনী পলী বিদ্যুৎ সমিতির জিএম প্রকৌশলী সেলিম ভূইয়া, এজিএম(কম) জসিম উদ্দিন, জুনিয়র ইঞ্জিনিয়র হাবিবুর রহমান ও শফিকুল ইসলামকে দিয়ে ৩ সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। কমিটি দীর্ঘ তদন্ত শেষে ঠিকাদার সাত্তার, ইলেক্ট্রিশিয়ান ফরিদসহ ৪জনকে দোষী সাব্যস্ত করে রিপোর্ট প্রদান করে। সম্প্রতি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ফরিদসহ ৩জনকে স্থায়ীভাবে এবং সাত্তারকে ৬মাসের জন্য সাময়িকভাবে বহিষ্কার করে। ছাগলনাইয়া জোনাল অফিসের ডিজিএম কেফায়েত উল্যাহ বহিষ্কারের কথা স্বীকার করেছেন। ফেনী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সভাপতি মাহবুব মোর্শেদ মামুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া প্রয়োজন।