দাগনভূঞার মিনি স্লুইসগেটগুলো অকেজো বোরো আবাদ ব্যাহত

(০৪ ফেব্রুয়ারী ২০১২) দাগনভূঞা উপজেলায় বোরো চাষের সুবিধার জন্য স্লুইসগেটগুলো নির্মিত হয়েছে কিন্তু তা সফল হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানাযায়, পানি উন্নয়ন বোর্ড ১৯৮২ সালে দাগনভূঞা এলাকার এক ফসলী অর্থাৎ রোপা আমন আবাদ হয় এমন জমিতে বোরো ও রবিশস্য আবাদের লড়্গ্যে ছোট ফেনী নদীর শাখা ওমরাবাদ গ্রাম সংলগ্ন খালে প্রায় ৭০ ফুট দৈর্ঘ্যের ৭ সারি বিশিষ্ট স্লুইস গেট এবং মাতুভূঞা সেতু সংলগ্ন খালে ১টি ও সেনবাগ বাজার সংলগ্ন খালে ১টি স্লুইসগেট নির্মিত হয়। নির্মানের কয়েক বছর পর মাতুভূঞার স্লুইসগেটটি উল্টে যায়। অপর দুটিও ধ্বংসের দ্বারপ্রানেত্ম। গেটগুলো নির্মাণের পর বর্ষার স্রোতের প্রবল আঘাতে আশপাশের অনেক ফসলি জমি খালে বিলীন হয়ে যায়। ওমরাবাদ গ্রামের কৃষক সফি উল্ল্যা হেঞ্জু জানান, স্লুইসগেটগুলো বন্ধ করে শীত মৌসুমে পানি আটকে রাখার জন্য যে প্লেট আনা হয়েছিল তা ব্যবহার না করেই পাশ্ববর্তী চেয়ারম্যান বাড়ীতে রেখে দেয়া হয় এবং এগুলো সে অবস্থায় নষ্ট হয়ে যায়। ব্যবসায়ী নজরম্নল ইসলাম জানান, বোরো ধান ও রবি শস্য উৎপাদনের যে লড়্গ্যে এ গেট নির্মাণ করা হয় তা যদি সঠিকভাবে ব্যবহার করা হতো তাহলে এ অঞ্চলের হাজার হেক্টর জমিতে বোরো চাষ করা সম্ভব হতো। দীর্ঘদিনেও খালগুলোর নব্যতা বাড়াতে খনন করা হয়নি। প্রতিবছর বন্যার সাথে পলিমাটি এসে এবং সোনাগাজীর কাজিরহাট স্লুইসগেট ভেঙ্গে সমুদ্রে ভেসে যাওয়ায় খালগুলো পলি পড়ে ভরাট হয়ে গেছে। এতে সমূদ্রের লবনাক্ত পানি প্রতিনিয়ত প্রবেশ করে ফসলের মারাত্নক ড়্গতি করছে। এব্যাপারে দাগনভূঞা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির জানান, নোয়াখালীর কোম্পানীগজ্ঞের মূচাপুরে একটি স্লুইসগেট নির্মান কাজ প্রায় শেষের পথে। এটি নির্মান হলে এতদ অঞ্চলের কৃষি আবার পুনঃজীবন ফিরে পাবে। বোরো আবাদও হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। দেশের বিভিন্ন এলাকায় রাবার ড্রাম ব্যবহার করে, বোরো ও রবি শস্য উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে। সেড়্গেত্রে এ অঞ্চলে কয়েকটি রাবার ড্রাম নির্মাণ কৃষকদের প্রাণের দাবী।