(২৭ মে ২০১২) ফেনীর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে গ্রাহক ও জনহয়রানি দিন দিন বাড়ছে। নানা অব্যবস্থাপনার মধ্যে দিয়ে চলছে ফেনীর পাসপোর্ট অফিস, আমাদের দেশের বেশির ভাগ লোক হজ্জ পালন, ব্যবসায়ীক উদ্দেশ্য ও বিভিন্ন কাজের উদ্দেশ্যে বিদেশে পাড়ি জমায়। আর এদের মধ্যে গরীব ও অশিক্ষিত লোকও রয়েছে। গরীব অসহায় থেকে শুরু করে কেউ এ হয়রানি থকে মুক্তি পাচ্ছে না। প্রকাশ্যে ও অপ্রকাশ্যে চলছে ঘুষের রাজত্ব। ঘুষ ছাড়া ফাইল নড়ে না। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের মাত্র ১০০ গজ অদূরে প্রকাশ্যে এ ধরনের ঘুষের রাজত্ব চললেও প্রশাসন রহস্যজনকভাবে নিরব রয়েছে। সাধারন গ্রাহকগন দালাল ও ট্রাভেল এজেন্সির লোকদের কাছে ক্রমেই অসহায় হয়ে পড়ছে। জানা যায়, দেশের সকল ডিজিটাল পাসপোর্ট অফিসগুলো সরাসরি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পরিচালনা করলেও শুধুমাত্র ফেনী অফিস বেসামরিক লোক দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। পাগলা মিয়া সড়কের মুন্না টাওয়ারে স্থাপিত এই অফিসের কয়েকজন স্টাফ মিলে তৈরী করেন সিন্ডিকেট। এদের মধ্যে রয়েছে, অফিসের হিসাবরক্ষক জাহিদ, জসিম সহ ৬/৭জন। এবং এই সিন্ডিকেটের আদায়কৃত ঘুষের অংশ সকল স্টাফের পকেটে নির্ধারিত সময়ে পৌছে যায়। শুরু হয় সকলের মিলিত যৌথ অর্থ আদায়ের প্রতিযোগিতা। ডিজিটাল পাসপোর্ট এর আবেদন পত্র নতুন ও জটিল হওয়ায় অনেক গ্রাহকই তা পূরন করতে গিয়ে ভুল করে বা ঘষামাজা হয়। এছাড়া আবেদন পত্রের কোথাও লিখা নাই ফ্লুইড ব্যবহার করা যাবে না। কিন্তু গ্রাহকরা ফ্লুইড ব্যবহার করলেই তা ফিরিয়ে দিচ্ছেন তারা। এসকল ছোট খাট খুত ধরে গ্রাহকদের হয়রানি করছে স্টাফরা। কিন্তু তারেদ সিন্ডিকেট দালাল ও এজেন্সির লোক ফরম নিয়ে আসলে তা ফেরত পাঠায় না। ভুলভ্রান্তি ও অনেক কাটা ছেড়া থাকলে তা তারা নিজেরা সংশোধন করে। আর তার পরিবর্তে দালালরা প্রতি পাসপোর্টে ১ হাজার ১ শ টাকা সিন্ডিকেটকে ঘুষ দিতে হয়। দালালের মাধ্যমে যারা আসেন না তাদের ভোগান্তি ও হয়রানির শেষ থাকেনা। তাছাড়া পাসপোর্টের আবেদন পত্র বিনামূল্যে দেয়ার কথা থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে তা গ্রাহকদের ফটোকপি করতে বলা হয়। পাসপোর্ট অফিসে ইয়াকুবপুর ইউনিয়নের চন্ডিপুর থেকে আসা শেখ ফরিদ জানান, তিনি এ নিয়ে ৬দিন এসেছেন। গত ৫ দিন ছোটখাট বিভিন্ন অজুহাতে তাকে ফেরত পাঠিয়েছে। উপস্থিত এমন অভিযোগ করেন, ছাগলনাইয়া থেকে আসা রকিব মজুমদার, সোনাগাজী থেকে আসা সোহেল মাহমুদ, আবুল হোসেনে, ধর্মপুর থেকে আসা রিয়াজ উদ্দিন অপু, ফেনী নাজির রোডের ব্যবসায়ী ইকবাল ফরহাদ, তাদের সকলের অভিযোগ একই।
তারা জানান, আবেদন পত্রে বিভিন্ন ভুল ধরলেও আবেদন পত্র পূরনের সঠিক অফিসের নিয়ম কোথাও লিখা নায়। এ ধরনের কোন নোটিশ কিংবা প্রচারনা কোথাও দেখা যায়নি। এছাড়া সোনালী ব্যাংক ফেনী শাখার কিছু স্টাফও এ ঘুষ বানিজ্যির সঙ্গে জড়িত। প্রতি পাসপোর্টে ৩০০০টাকা সরকারি ফি জমা দেয়ার কথা থাকলেও ক্যাশিয়ার ৩১১৫ টাকা আদায় করছে। কিন্তু ১১৫ টাকার কোন রসিদ দেয়া হয় না। এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে এক সময় এক রকম উত্তর দেন। কোন সময় জেলা প্রশাসকের জন্য, কখনো ভ্যাটের কথা বলে আদায় করছে তারা। কিন্তু অতিরিক্ত টাকা ক্যাশিয়ার, গার্ড ও স্টাফরা ভাগ করে নেন বলে জানা যায়। বহিরাগত লোক ও গ্রাহকরা অবাধে যাতে প্রবশে করতে না পারে সেজন্য অফিসের প্রবেশ মুখে টেবিল দিয়ে বন্ধ রাখা হয়। দালালরা আসলে তাদেরকে টেবিল সরিয়ে ভেতরে প্রবশে করান। মাঝে মধ্যে গ্রাহকরা উত্তেজিত হলে তারা নিজেদের অফিসের লোক বলে দাবী করেন। এছাড়া আবেদন পত্র জমা নেয়ার সময় দুপুর ২ টায় শেষ হলে ১টা বাজেই বন্ধ করে দেন তারা। কিন্তু দালালরা ৪ টায় আসলেও তাদের ফরম জমা নেয়া হয়। ৪/৫দিন ঘুরে আবেদনপত্র ঠিকভাবে জমা দিলেও ডেলিভারীর সময় আবার হয়রানি করে। আর এসকল গাফেলতির কারনে অনেকের ভিসা বাতিল হয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটছে। জনসাধারন এ সকল হয়রানি বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছে।
ফেনীতে দুই দিনব্যাপী অনলাইনে উপার্জন বিষয়ক কর্মশালা শেষ
(২৪ মে ২০১২) ফেনী জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে দুই দিন ব্যাপী লার্নিং এন্ড আর্নিং অনলাইনে উপার্জন বিষয়ক প্রশিক্ষন কর্মশালা গতকাল বুধবার বিকালে শেষ হয়েছে। বিকালে জেলা প্রশাসক মোঃ আবদুল কুদ্দুস খান প্রশিক্ষনার্থীদের মাঝে সার্টিফিকেট বিতরন করেন। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে স্বানির্ভর বাংলাদেশ ও সাপোর্ট-২ ডিজিটাল বাংলাদেশ (এটুআই) পোগ্রামে ৫২ জন প্রশিক্ষনার্থী অংশ গ্রহন করে। এসময় উপস্থিত ছিলেন স্বনির্ভর বাংলাদেশের গভর্নিং বর্ডির সভাপতি এসএম আল হোসায়নী, নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট তন্ময় ইসলাম ও খালিদ নোমান হোসায়নী পরিচালক (আইটি) স্বনির্ভর বাংলাদেশ। শিক্ষার্থীদেরকে ঘরে বসে অনলাইনে উপার্জন বিষয়ে প্রশিক্ষন দেন স্বনির্ভর বাংলাদেশের হেনা বাড়ই ট্রেনিং কো-অর্ডিনেটর, মো: সাদিকুল আলম পাভেল নেটওয়ার্ক এডমিনিষ্টেটর ও এইচএস আলমগীর সিদ্দিকী ট্রেনিং কো-অর্ডিনেটর স্বনির্ভর বাংলাদেশ। সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ (এটুআই) প্রোগ্রামে শিক্ষিত বেকার যুবকেরা ঘরে বসে অনলাইনের মাধ্যমে উপার্জন করে আর্থিকভাবে সাবলম্বী হওয়ার জন্য স্বনির্ভর বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে এ প্রশিক্ষন কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে।
ফেনীতে স্বাদের ফলে বিষ!
(২৪ মে ২০১২) শরীরের জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য দিয়ে পাকানো আম, কাঠাল, আনারসে সয়লাব হয়ে গেছে ফেনী শহরসহ পুরো জেলা। পাকা আমের মোহনীয় রং দেখে শখ করে কিনলেও অনেকেরই জানা নেই এটি ক্যালসিয়াম কার্বাইড ও সোডিয়াম কার্বাইড মিশিয়ে পাকানো। এমনকি কলাতেও এসব ক্ষতিকর দ্রব্য মেশানো হচ্ছে অহরহ। ফেনীর বৃহৎ ফল বাজার হাজী নজির আহম্মদ ফল মার্কেট, মহিপালের বিভিন্ন আড়ৎ, ট্রাংক রোড়, রেল ষ্টেশন সংলগ্ন আড়ৎ ও গোডাউন কোয়ার্টার এলাকা থেকে এসব ফল পাকিয়ে বিপনন করা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, রাজশাহীর আম, রামগড়ের কাঠাল ও খাগড়াছড়ির পাহাড়ি আনারসের আকর্ষনীয় কথার ফুলঝরি দিয়ে বিক্রি করছে দোকানীরা। প্রতিদিনই ট্রাকবোঝাই ফল বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এনে ক্যালসিয়াম কার্বাইড ও সোডিয়াম কার্বাইড মেশানো হয়। পরে পচন থেকে রক্ষা করতে ক্ষতিকর ফরমালিনও মেশানো হয়। ব্যবসায়ীদের এমন প্রতারণার ফলে ভোক্তারা যে শিকার হচ্ছেন রাসায়নিক বিষক্রিয়ার এ খবর অনেকেরই অজানা। প্রশাসনের নির্লিপ্ততায় এসব অসাধু ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম ক্রমেই বেড়েই চলছে। তবে ব্যবসায়ীরা বলেন, তাদের কিছুই করার নেই, কিনে আনার সময়ই এসব ফলে ফরমালিন মেশানো থাকে। শুধু আম নয় সব রকমের ফলে রাসায়নিক দ্রব্য প্রয়োগ করা হয়। এক ক্রেতা জানান, কোন ফলে যেন রাসায়নিক দ্রব্য প্রয়োগ কিংবা বাজারে বিক্রয় করতে না পারে সে ব্যাপারে অভিযান পরিচালনা করতে হবে। স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ফল কোন ভাবেই যেন বাজারে আসতে না পারে সেদিকে নজরদারী রাখতে হবে। ফেনী আধুনিক সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা: আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, এসব রাসায়নিক দ্রব্য খাওয়ার ফলে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে। এছাড়া লিভার, কিডনি নষ্ট ও পাকস্থলীতে রাসায়নিক দ্রব্য জমে দীর্ঘমেয়াদী নানা জটিল রোগের আশঙ্কা রয়েছে। এ প্রসঙ্গে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আলীম আখতার খান ফেনীর সময়কে জানান, পৌরসভা কিংবা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য মেশানো ফল বাজারের বিক্রি বন্ধে শীঘ্রই অভিযান চালু করা হবে।
সোয়া কোটি টাকার পণ্যসহ ছিনতাই কাভার্ডভ্যান উদ্ধারে তৎপরতা নেই পুলিশের
(২৪ মে ২০১২) ফেনীতে এক কোটি ২৫ লাখ টাকার মালামালসহ ছিনতাই হওয়া কাভার্ডভ্যান ৩ দিনেও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।
গাড়ি চালক ও তার সহযোগী ছাড়া ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আরও কাউকে আটক করতে পারেনি তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
প্রশাসনের এ ভূমিকায় হতাশা ব্যক্ত করেছেন ছিনতাই হওয়া মালামালগুলোর একাংশের মালিক স্প্যারো অ্যাপারলেস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শোভন ইসলাম।
তিনি জানান, কাপড়ের রোলগুলো দিয়ে পোশাক তৈরি করে আগামী জুন মাসের ৬ তারিখের মধ্যে আমেরিকা পাঠানোর কথা রয়েছে। যথাসময়ে সেখানে পোশাক পাঠাতে না পারলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হবে।
রোববার গভীর রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর ছাগলনাইয়া এলাকায় সমিতি বাজার এলাকায় কাভার্ডভ্যানসহ মালামালগুলো ছিনতাই হয়।
চট্টগ্রাম থেকে একটি কাভার্ড ভ্যান গাড়ি ময়মিনসিংহের ভালুকার জামির দিয়ার মেসার্স ক্রাউন ওয়্যারস (প্রাইভেট) লিমিটেডের ৮৪ রোল কাপড় ও গাজীপুরের জয়দেবপুর বাজারে চান্দনার স্প্যারো অ্যাপারলেস লিমিটেডের ৪২ রোল কাপড় ও অন্য দু’টি প্রতিষ্ঠানের মালামাল নিয়ে ঢাকার দিকে যাচ্ছিল।
রাত ২টার দিকে দুবৃর্ত্তরা গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয় দিয়ে গাড়িটি থামায়। চালক ও সহযোগীকে বেঁধে রাস্তার পাশে ফেলে দিয়ে গাড়িটি ছিনতাই করে নিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে মঙ্গলবার সকালে শোভন ইসলাম বাদী হয়ে ফেনীর ছাগলনাইয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
এ প্রসঙ্গে ছাগলনাইয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে কাভার্ডভ্যান চালক কুষ্টিয়ার কুমারখালীর খুরজাহান আলীর ছেলে খায়বার আজিজ শেখ (৫০) ও তার সহযোগী একই এলাকার মৃত ফরিজাহান শেখের ছেলে মো: রাসেলকে (৩০) আটক করা হয়েছে। মালামালসহ গাড়িটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
ফেনী পুলিশ সুপার পরিতোষ ঘোষ জানান, এ ঘটনার সংঙ্গে গাড়ির চালক জড়িত থাকতে পারে বলে সন্দেহ হওয়ায় তাকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কে চেক পোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।
এসপি বলেন, “আশা করছি, মালামালসহ গাড়িটি উদ্ধার করা যাবে।”
গাড়ি চালক ও তার সহযোগী ছাড়া ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আরও কাউকে আটক করতে পারেনি তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
প্রশাসনের এ ভূমিকায় হতাশা ব্যক্ত করেছেন ছিনতাই হওয়া মালামালগুলোর একাংশের মালিক স্প্যারো অ্যাপারলেস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শোভন ইসলাম।
তিনি জানান, কাপড়ের রোলগুলো দিয়ে পোশাক তৈরি করে আগামী জুন মাসের ৬ তারিখের মধ্যে আমেরিকা পাঠানোর কথা রয়েছে। যথাসময়ে সেখানে পোশাক পাঠাতে না পারলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হবে।
রোববার গভীর রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর ছাগলনাইয়া এলাকায় সমিতি বাজার এলাকায় কাভার্ডভ্যানসহ মালামালগুলো ছিনতাই হয়।
চট্টগ্রাম থেকে একটি কাভার্ড ভ্যান গাড়ি ময়মিনসিংহের ভালুকার জামির দিয়ার মেসার্স ক্রাউন ওয়্যারস (প্রাইভেট) লিমিটেডের ৮৪ রোল কাপড় ও গাজীপুরের জয়দেবপুর বাজারে চান্দনার স্প্যারো অ্যাপারলেস লিমিটেডের ৪২ রোল কাপড় ও অন্য দু’টি প্রতিষ্ঠানের মালামাল নিয়ে ঢাকার দিকে যাচ্ছিল।
রাত ২টার দিকে দুবৃর্ত্তরা গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয় দিয়ে গাড়িটি থামায়। চালক ও সহযোগীকে বেঁধে রাস্তার পাশে ফেলে দিয়ে গাড়িটি ছিনতাই করে নিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে মঙ্গলবার সকালে শোভন ইসলাম বাদী হয়ে ফেনীর ছাগলনাইয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
এ প্রসঙ্গে ছাগলনাইয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে কাভার্ডভ্যান চালক কুষ্টিয়ার কুমারখালীর খুরজাহান আলীর ছেলে খায়বার আজিজ শেখ (৫০) ও তার সহযোগী একই এলাকার মৃত ফরিজাহান শেখের ছেলে মো: রাসেলকে (৩০) আটক করা হয়েছে। মালামালসহ গাড়িটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
ফেনী পুলিশ সুপার পরিতোষ ঘোষ জানান, এ ঘটনার সংঙ্গে গাড়ির চালক জড়িত থাকতে পারে বলে সন্দেহ হওয়ায় তাকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কে চেক পোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।
এসপি বলেন, “আশা করছি, মালামালসহ গাড়িটি উদ্ধার করা যাবে।”
ফেনী-বিলোনীয়া রেলপথ বন্ধ ১৫ বছর -- কোটি কোটি টাকার সম্পদ বেহাত
(২৩ মে ২০১২) লোকসানের অজুহাতে প্রায় ১৫ বছর আগে ফেনী-বিলোনীয়া রেলপথ বন্ধ করে দিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। ইতোমধ্যে পরিত্যক্ত রেলপথের কোটি কোটি টাকা মূল্যের রেললাইন, স্লিপার, কাঠের পাত, পাথর, রেল স্টেশনের অবকাঠামোর দরজা-জানালা চুরিসহ জবরদখল হয়ে যাচ্ছে। ফেনীর রেলপথ পরিদর্শকের কার্যালয় থেকে গত কয়েক বছরে লাকসাম জিআরপি থানা, ফেনী, ফুলগাজী ও পরশুরাম থানায় এ ব্যাপারে অন্তত ৮টি চুরির মামলা করেছে।
ফেনী-বিলোনীয়া রেলপথ নির্মাণ করা হয়েছিল ১৯২৯ সালে। দীর্ঘ ২৮ কিলোমিটার রেলপথে বন্ধুয়া দৌলতপুর, আনন্দপুর, পীরবঙ্ মুন্সির হাট, নতুন মুন্সির হাট, ফুলগাজী, চিথলিয়া, পরশুরাম ও বিলোনীয়াসহ ৮টি রেল স্টেশন স্থাপন করা হয়। একসময় রেলপথই ছিল এ অঞ্চলবাসীর যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম। কিছু অসাধু রেল কর্মকর্তার অনৈতিকতার কারণে এই রুটটি লোকসানি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। ফলে ১৯৯৭ সালের ১৭ আগস্ট রেল কর্তৃপক্ষ ফেনী-বিলোনীয়া রেলপথ বন্ধ করে দেয়। তারপর থেকে এ রেলপথ পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে। অযত্নে-অবহেলায় সবগুলো স্টেশনের বেহাল দশা। স্টেশনগুলোর অবকাঠামো এখন ধ্বংসের পথে। রেললাইনের পাশাপাশি পথের দুই পাশের গাছগুলোও কেটে নিয়ে যাচ্ছে দুর্বৃত্তরা।
ফুলগাজীর ষাটোধর্্ব সৈয়দ সাহেব জানান, দুর্বৃত্তরা রেলের লাইন তুলে পুলিশের সামনেই ট্রাকে করে নিয়ে যায়। মুন্সির হাটের আবুল হোসেন জানান, দুর্বৃত্তরা রেলের পাত, শ্লিপার তো প্রায় নিয়েই গেছে এখন রেললাইনের পাশের গাছগুলোও কেটে নিয়ে যাচ্ছে।
রেলের ঊধর্্বতন উপ-সহকারী প্রকৌশলী, মো. রশিদ আহমেদ জাহাঙ্গীর জানান, গত কয়েক বছরে রেলের প্রায় দেড় কোটি টাকার সম্পদ বেহাত হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় ৮টি মামলাও হয়েছে। তিনি জানান, জিআরপি বলেন, পরিত্যক্ত স্টেশন বা রেললাইন জিআরপির আওতায় নেই এবং ফুলগাজী ও পরশুরাম থানা বলেন রেলের সম্পত্তি বেঙ্গলের আওতায় নেই। তিনি আরও জানান, পরিত্যক্ত লাইনটি পুনরায় চালু করার জন্য বা ভেঙে টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রয়ের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষকে বারবার লিখিতভাবে আবেদন করা হয়েছে।
ফেনী-বিলোনীয়া রেলপথ নির্মাণ করা হয়েছিল ১৯২৯ সালে। দীর্ঘ ২৮ কিলোমিটার রেলপথে বন্ধুয়া দৌলতপুর, আনন্দপুর, পীরবঙ্ মুন্সির হাট, নতুন মুন্সির হাট, ফুলগাজী, চিথলিয়া, পরশুরাম ও বিলোনীয়াসহ ৮টি রেল স্টেশন স্থাপন করা হয়। একসময় রেলপথই ছিল এ অঞ্চলবাসীর যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম। কিছু অসাধু রেল কর্মকর্তার অনৈতিকতার কারণে এই রুটটি লোকসানি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। ফলে ১৯৯৭ সালের ১৭ আগস্ট রেল কর্তৃপক্ষ ফেনী-বিলোনীয়া রেলপথ বন্ধ করে দেয়। তারপর থেকে এ রেলপথ পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে। অযত্নে-অবহেলায় সবগুলো স্টেশনের বেহাল দশা। স্টেশনগুলোর অবকাঠামো এখন ধ্বংসের পথে। রেললাইনের পাশাপাশি পথের দুই পাশের গাছগুলোও কেটে নিয়ে যাচ্ছে দুর্বৃত্তরা।
ফুলগাজীর ষাটোধর্্ব সৈয়দ সাহেব জানান, দুর্বৃত্তরা রেলের লাইন তুলে পুলিশের সামনেই ট্রাকে করে নিয়ে যায়। মুন্সির হাটের আবুল হোসেন জানান, দুর্বৃত্তরা রেলের পাত, শ্লিপার তো প্রায় নিয়েই গেছে এখন রেললাইনের পাশের গাছগুলোও কেটে নিয়ে যাচ্ছে।
রেলের ঊধর্্বতন উপ-সহকারী প্রকৌশলী, মো. রশিদ আহমেদ জাহাঙ্গীর জানান, গত কয়েক বছরে রেলের প্রায় দেড় কোটি টাকার সম্পদ বেহাত হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় ৮টি মামলাও হয়েছে। তিনি জানান, জিআরপি বলেন, পরিত্যক্ত স্টেশন বা রেললাইন জিআরপির আওতায় নেই এবং ফুলগাজী ও পরশুরাম থানা বলেন রেলের সম্পত্তি বেঙ্গলের আওতায় নেই। তিনি আরও জানান, পরিত্যক্ত লাইনটি পুনরায় চালু করার জন্য বা ভেঙে টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রয়ের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষকে বারবার লিখিতভাবে আবেদন করা হয়েছে।
Subscribe to:
Posts (Atom)



