(১৪ জুলাই ২০১১) ফেনী রেলওয়ে জংশনে রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির এক কনস্টেবলের নেতৃত্বে চলছে রমরমা মাদক ব্যবসা। পুলিশ রক্ষক হয়ে ভক্ষকের ভূমিকা পালন করায় ষ্টেশন এলাকায় মাদক ব্যবসা যেমন বাড়ছে তেমনি মাদকাসক্তের উৎপাতও দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা যায়, পুলিশ কনস্টেবল নোলিনী চাকমা বীরদর্পে চালিয়ে যাচ্ছে ষ্টেশান জুড়ে এই মাদক ব্যবসা। খাগড়াছড়ি এলাকার ওই নারী কনস্টেবল নিজ এলাকা থেকে পাহাড়ী বাংলা মদ এনে ফেনীতে বিক্রি করে থাকে। এছাড়া ফেনসিডিল ও গাঁজা ব্যবসাতো রয়েছে। এ ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার মূল শক্তি ফেনী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ। ফেনী ষ্টেশনের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, নোলিনী যেসব অপকর্ম করে এবং অবৈধ আয় করে তার একটা অংশ ইনচার্জকে দিতে হয়। ইনচার্জ কে ম্যানেজ করেই সে এ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। ফেনী রেলওয়ে ষ্টেশনের এক পিডব্লিউ বলেন, সে আমার কোয়ার্টারের পাশে মাদকের হাট বসিয়েছে। সেখানে বিভিন্ন এলাকার মাদক সেবিরা এসে মাদক নিয়ে যায়। তার এসব অনৈতিক কাজের কারনে আমার স্কুল পড়ুয়া ছেলে মেয়েদের নিয়ে অনেক সময় বিব্রত অবস্থায় পড়তে হয়। তিনি আরো জানান, পুলিশ সদস্য নোলিনী চাকমা স্টেশনের পার্শ্ববর্তী স্থানগুলোতে ভাসমান পতিতাদের দিয়ে দেহ ব্যবসা করিয়ে তার থেকেও কমিশন আদায় করে থাকে। এবিষয়ে ষ্টেশন মাস্টার মাহবুবুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজী হননি।রক্ষক যেখানে ভক্ষক : ফেনী রেলষ্টেশনে মাদক ব্যবসায় জড়িত পুলিশ
(১৪ জুলাই ২০১১) ফেনী রেলওয়ে জংশনে রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির এক কনস্টেবলের নেতৃত্বে চলছে রমরমা মাদক ব্যবসা। পুলিশ রক্ষক হয়ে ভক্ষকের ভূমিকা পালন করায় ষ্টেশন এলাকায় মাদক ব্যবসা যেমন বাড়ছে তেমনি মাদকাসক্তের উৎপাতও দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা যায়, পুলিশ কনস্টেবল নোলিনী চাকমা বীরদর্পে চালিয়ে যাচ্ছে ষ্টেশান জুড়ে এই মাদক ব্যবসা। খাগড়াছড়ি এলাকার ওই নারী কনস্টেবল নিজ এলাকা থেকে পাহাড়ী বাংলা মদ এনে ফেনীতে বিক্রি করে থাকে। এছাড়া ফেনসিডিল ও গাঁজা ব্যবসাতো রয়েছে। এ ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার মূল শক্তি ফেনী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ। ফেনী ষ্টেশনের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, নোলিনী যেসব অপকর্ম করে এবং অবৈধ আয় করে তার একটা অংশ ইনচার্জকে দিতে হয়। ইনচার্জ কে ম্যানেজ করেই সে এ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। ফেনী রেলওয়ে ষ্টেশনের এক পিডব্লিউ বলেন, সে আমার কোয়ার্টারের পাশে মাদকের হাট বসিয়েছে। সেখানে বিভিন্ন এলাকার মাদক সেবিরা এসে মাদক নিয়ে যায়। তার এসব অনৈতিক কাজের কারনে আমার স্কুল পড়ুয়া ছেলে মেয়েদের নিয়ে অনেক সময় বিব্রত অবস্থায় পড়তে হয়। তিনি আরো জানান, পুলিশ সদস্য নোলিনী চাকমা স্টেশনের পার্শ্ববর্তী স্থানগুলোতে ভাসমান পতিতাদের দিয়ে দেহ ব্যবসা করিয়ে তার থেকেও কমিশন আদায় করে থাকে। এবিষয়ে ষ্টেশন মাস্টার মাহবুবুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজী হননি।
Labels:
অপরাধ / অনিয়ম / দুর্নীতি
